Skip to the results
Satta Matka Result Satta Matka ResultLive Kalyan & Main Bazar Result, Jodi Panel Charts

জোড়ি চার্ট আর প্যানেল চার্ট কীভাবে পড়বেন

জোড়ি চার্ট আর প্যানেল চার্ট, এই দুটো নাম শুনে অনেকে ভাবেন কোনও জটিল হিসাব লুকিয়ে আছে। আসলে দুটোই পেরিয়ে যাওয়া দিনগুলোর রেজাল্ট সাজিয়ে রাখা টেবিল, এর বেশি কিছু না। এই লেখায় Satta Matka Result-এর দুটো চার্টই ঘর ধরে ধরে পড়া দেখানো হয়েছে: কোন ঘরে কী আছে, লাল রং কেন, তারা (**) কেন, আর টেবিল থেকে কী জানা যায় আর কী যায় না। অঙ্ক আর জোড়ির হিসাব যাঁর এখনও পরিষ্কার নয়, তিনি আগে বাংলা গাইড পড়ে নিলে বাকিটা সহজ লাগবে।

চার্ট খোলার রাস্তা

প্রতিটি বাজারের জন্য দুটো চার্ট। সবচেয়ে সোজা রাস্তা রেকর্ড চার্ট পাতা, যেখানে প্রতিটি বাজারের নামের পাশে জোড়ি আর প্যানেলের লিঙ্ক আছে। প্রতিটি বাজারের নিজের রেজাল্ট পাতাতেও একই দুটো লিঙ্ক দেওয়া। যেমন কল্যাণের জোড়ি চার্ট আর প্যানেল চার্ট। হোম পেজের যে ছোট টেবিলটা অনেক বাজার একসঙ্গে দেখায়, সেটা শুধু চলতি সপ্তাহের; পুরো ইতিহাস পেতে চার্ট পাতাতেই যেতে হবে।

জোড়ি চার্ট: এক সারিতে এক সপ্তাহ

জোড়ি চার্টে প্রতিটি সারি এক সপ্তাহ। সারির শুরুতে সেই সপ্তাহের প্রথম আর শেষ তারিখ। তারপর সোমবার থেকে শনিবার পর্যন্ত ছটা ঘর, আর প্রতিটি ঘরে সেই দিনের দুই অঙ্কের জোড়ি: প্রথম অঙ্ক ওপেন অঙ্ক, দ্বিতীয়টা ক্লোজ অঙ্ক। বেশিরভাগ বাজার রবিবার বন্ধ থাকে, তাই তাদের চার্টে রবিবারের কলামই নেই। যে বাজার সত্যিই রবিবারেও রেজাল্ট দেয়, শুধু তার চার্টে সপ্তম কলাম হিসেবে রবিবার যোগ হয়। কলাম কম দেখলে ভাববেন না কিছু বাদ পড়েছে; ওটা ছুটির দিন। সবচেয়ে পুরনো সপ্তাহ উপরে, সবচেয়ে নতুনটা নিচে। আজকের ঘরে পৌঁছতে নিচমুখী তির (↓) বোতামে ট্যাপ করুন, এক লাফে শেষ সপ্তাহে চলে যাবেন। কোন বাজারের ছুটি কোন দিন, তা টাইম টেবিল পাতায় লেখা।

লাল ঘর মানে কী

কিছু ঘর লাল রঙে দেখায়। লাল মানে শুধু জোড়িটার গড়ন, ভালো-খারাপের কোনও ইশারা নয়। দু-রকম জোড়ি লাল হয়:

কাট অঙ্কের নিয়ম: অঙ্কের সঙ্গে 5 যোগ করুন, যোগফলের শেষ অঙ্কটা নিন। দশটা অঙ্কের জোড়া এক টেবিলে কাট অঙ্ক চার্ট পাতায়। পরপর কয়েকটা লাল ঘর দেখলে সেটা ওই দিনগুলোর বর্ণনা মাত্র, কালকের জন্য কোনও নির্দেশ নয়।

দুটো তারা (**) মানে কী

কোনও ঘরে দুটো তারা (**) থাকলে সেদিনের কোনও ঘোষিত রেজাল্ট নেই, অথবা দিনটা ছিল বাজারের ছুটি। আজকের ঘরে ওপেন আসার পর আর ক্লোজ আসার আগে একটা অঙ্কের পাশে একটা তারা দেখা যায়, যেমন 7*; ক্লোজ এলে তারাটা সরে জোড়ি পুরো হয়। তারা মানে খালি জায়গা, লুকিয়ে রাখা নম্বর নয়। আগের সারির নম্বর সেখানে বসিয়ে নেওয়া মানে নিজের হাতে রেজাল্ট বানানো।

প্যানেল চার্ট: পুরো লাইন

প্যানেল চার্টেও প্রতিটি সারি এক সপ্তাহ, কিন্তু প্রতিটি দিনের জন্য তিনটে ঘর: প্রথমে ওপেন পান্না, মাঝে জোড়ি, শেষে ক্লোজ পান্না। টেবিলের মাথায় এগুলো O, J আর C লেখা। জায়গা বাঁচাতে পান্নার তিনটে অঙ্ক খাড়াভাবে, একটার নিচে একটা, লেখা থাকে। রেজাল্ট পাতায় যে লাইন 458-74-239 হিসেবে ছাপা হয়, সেটাই এখানে এক দিনের তিনটে ঘরে। জোড়ি চার্টের টেবিলে সেই লাইনের শুধু মাঝের অংশটা চোখে পড়ে। দুটো চার্টের ফারাক এটুকুই: প্যানেল চার্টের টেবিলে পান্না সরাসরি লেখা, জোড়ি চার্টে পান্না দেখতে হলে ঘরে ট্যাপ করতে হয়।

হাতে-কলমে একটা দিন

প্যানেল চার্টের যে কোনও একটা দিন নিন, আর তিন ধাপে মিলিয়ে দেখুন।

  1. ওপেন পান্নার অঙ্ক যোগ করুন। 458 হলে 4 + 5 + 8 = 17, শেষ অঙ্ক 7।
  2. ক্লোজ পান্নার অঙ্ক যোগ করুন। 239 হলে 2 + 3 + 9 = 14, শেষ অঙ্ক 4।
  3. দুটো অঙ্ক ওপেন-তারপর-ক্লোজ ক্রমে পাশাপাশি লিখুন: 74। মাঝের ঘরে এই জোড়িটাই থাকার কথা।

আর একটা দিন ধরুন, যেখানে ওপেন পান্না 550 আর ক্লোজ পান্না 168। 550 থেকে অঙ্ক 0; 168 থেকে 1 + 6 + 8 = 15, অঙ্ক 5। জোড়ি হল 05, আর এটা কাট জোড়ি বলে ঘরটা লাল দেখাবে। এই অভ্যাস রেকর্ড বোঝার জন্য, কোনও ফর্মুলা খোঁজার জন্য নয়। তাড়াতাড়ি করতে চাইলে মাটকা ক্যালকুলেটর আছে।

ঘরে ট্যাপ করলে কী হয়

জোড়ি চার্ট বা প্যানেল চার্টের যে কোনও ঘরে ট্যাপ করুন। টেবিলের ঠিক নিচে সেই দিনের তারিখ আর পুরো লাইন, মানে ওপেন পান্না, জোড়ি আর ক্লোজ পান্না, ফুটে ওঠে। সুবিধা হল, জোড়ি চার্ট দেখতে দেখতে কোনও দিনের পান্না জানতে আর প্যানেল চার্টে যেতে হয় না। সারির বাঁ দিকের সপ্তাহের ঘরে ট্যাপ করলে সেই সপ্তাহের শুরু আর শেষের তারিখ এক লাইনে লেখা দেখা যায়।

বছর অনুযায়ী পাতা

মূল চার্ট পাতায় শেষ কয়েক বছরের সপ্তাহ থাকে। টেবিলের ভিতরে প্রতিটি নতুন বছরের আগে এক সারিতে বছরটা লেখা, যাতে কোন সপ্তাহ কোন বছরের, এক নজরে বোঝা যায়। যে বাজারের রেকর্ড একাধিক বছরের, তার চার্টের উপরে বছরের বোতাম দেখায়। প্রতিটি সালের জন্য আলাদা পাতা আছে, তাই কোনও বছরে ট্যাপ করলে শুধু সেই বছরের সপ্তাহগুলো নিয়ে একটা পাতা খোলে। বোতামগুলোর শেষটা পুরো রেকর্ডের; সেটা খুললে শুরু থেকে আজ পর্যন্ত সব সপ্তাহ একসঙ্গে দেখা যায়। একটা নির্দিষ্ট তারিখের লাইন দেখতে হলে তারিখ অনুযায়ী রেজাল্ট পাতা বেশি দ্রুত। আরও কিছু রেকর্ড আলাদা পাতায় আছে, যেমন ওপেন টু ক্লোজ রেকর্ড আর ফাইনাল অঙ্ক রেকর্ড চার্ট।

স্টারলাইনের রেকর্ড আলাদা

স্টারলাইনে প্রায় প্রতি ঘণ্টায় একটা করে নতুন ড্র; প্রতিটি ড্র-তে একটাই পান্না আর তার অঙ্ক, যেমন 270-9। ক্লোজ নেই, তাই জোড়িও নেই। সেই কারণে স্টারলাইনের রেকর্ড জোড়ি আর প্যানেল চার্টের ছাঁচে বসে না; তার নিজের পাতা আছে, যেখানে প্রতিটি ঘণ্টার জন্য আলাদা কলাম।

চার্ট যা বলতে পারে না

শেষ কথা

চার্ট শেষ ঘোষিত লাইনে থেমে থাকে, আর পরের লাইন এলে আর একটা ঘর ভরে; এইটুকুই তার কাজ। সে পেরিয়ে যাওয়া দিন লিখে রাখে, ভবিষ্যৎ কখনও বলে না। ভারতের বেশিরভাগ রাজ্যে মাটকায় টাকা লাগানো বেআইনি; এই সাইট শুধু রেকর্ড দেখায়, কোনও বাজি নেয় না। এই লেখা 18 বছরের বেশি বয়সের পাঠকদের জন্য। ইংরেজিতে একই বিষয়ে চার্ট পড়ার টিপস পাতা আছে।